---Advertisement---

নন্দীগ্রাম দিবসে অভিষেকের শক্ত বার্তা: ‘বিজেপিরও দর্প চূর্ণ হবে’

Sabir

Published

nandigram divas abhishek

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---

নন্দীগ্রাম দিবসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বড় হুঁশিয়ারি—“বিজেপিরও শাসনদলের মতোই দর্প চূর্ণ হবে”—সঙ্গে ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রেক্ষাপট।আজ নন্দীগ্রাম দিবস উপলক্ষে রাজ্যের রাজনীতিতে এক নতুন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তৃণমূল সঙ্ঘের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বাংলার মানুষ CPIM-কে শিক্ষা দিয়েছিল, আগামীতে (bjp) Bharatiya Janata Party-রও দর্প চূর্ণ হবে।” এই বার্তার মাধ্যমে তিনি কার্যত বর্তমান শাসক দলের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ ও ক্ষমতার হুঙ্কার জানিয়েছেন। এখানে ‘নন্দীগ্রাম’ আন্দোলনের ইতিহাস ও তাঁর দেওয়া হুঁশিয়ারির বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

নন্দীগ্রাম দিবসে অভিষেকের হুঁশিয়ারি

আজ ১০ নভেম্বর, নন্দীগ্রাম দিবসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (এক্স হ্যান্ডলে) পোস্ট দিয়েছেন, যেখানে উল্লেখ করেছেন:“বাংলার মানুষ সিপিএমকে শিক্ষা দিয়েছিল। আগামীতে বিজেপিরও দর্পচূর্ণ এভাবেই হবে।”তিনি বলেন, “বিগত ‘লাল সন্ত্রাস’-এর দিনগুলোর কথা ভুলতেই পারেনি কেউ। সেই স্মৃতিতে আজ বিজেপিকে সতর্ক করা হয়েছে।”এই হুঁশিয়ারি এমন এক রাজনৈতিক বার্তা, যেখানে বর্তমানে শাসক ও বিরোধী জাতীয় পার্টির মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্পষ্ট।বিশেষ করে, তিনি ব্যালট বক্সের কথা উল্লেখ করেছেন, অর্থাৎ ভোটের মাধ্যমে জনক্ষমতা প্রয়োগের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

Read More – হাই কোর্টের নির্দেশ: দ্রুত শুরু হোক ১০০ দিনের কাজ

কী অর্থ রয়েছে এই হুঁশিয়ারিতে

রাজনৈতিক সংকেত: অভিষেকের বক্তব্য যাতে বোঝায়—যেমন মতোভাবে বামের শাসনদলের (CPIM) পতন ঘটেছিল, ঠিক সেই পথে যেতে পারে বিজেপিও।জনমানস ও স্মৃতি ব্যবহার: নন্দীগ্রামের ঐতিহাসিক বিদ্রোহ স্মৃতি বর্তমান রাজনৈতিক লড়াইয়ে ব্যবহার করা হয়েছে।বিরোধী দলের প্রতি স্লোগান: “দর্পচূর্ণ হবে” বলে দলীয় ঐক্য ও শক্তি উপস্থাপনা।পরবর্তী নির্বাচন বা রাজনৈতিক কার্যক্রমে এটা ‘ভুমিকা–স্মরণ’ হিসেবে কাজ করতে পারে—ভোটে অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক সচেতনতা।

শেয়ার করুন

---Advertisement---