Taruner Swapna Scheme (বাংলায় “তরুণের স্বপ্ন”) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি উদ্যোগ। এই প্রকল্পের অধীনে, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মোবাইল/ট্যাব/PC কেনার জন্য এককালীন 10,000 আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে, একাদশ (Class XI) এবং দ্বাদশ (Class XII)— উভয় শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীই এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারে।
কেন ২০২৫-তে টাকাপাওয়ায় দেরি হচ্ছে
এই বছরে প্রকল্প বাস্তবায়নে কিছু নতুন নিয়ম এবং সতর্কতা শুরু করা হয়েছে — যার ফলে টাকা দেওয়া দেরি হচ্ছে। প্রধান কারণে –
1.“Self-Declaration” এবং ভ্যারিফিকেশন: স্কুলগুলোকে প্রথমে শিক্ষার্থীদের তথ্য (ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, Aadhaar, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি) পোর্টালে আপলোড করতে হবে; এরপর ছাত্র/ছাত্রীর OTP ভ্যারিফিকেশন ও স্ব-ঘোষণা (self-declaration) করতে হবে।
2.নিরাপত্তা ও জালিয়াতি প্রতিরোধ: গত বছর কয়েক জেলায় টাকা অনাপত্তিকর অ্যাকাউন্টে গিয়েছিল, ফলে ২০২৫-তে জালিয়াতি রোধে কড়া নিয়ম চালু হয়েছে।
3.ডাটা আপলোড ও যাচাইয়ের দেরি: অনেক স্কুলে এখনও পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীর তথ্য আপলোড বা সংশোধন হয়নি। নাম, বানান, ব্যাংক নম্বর-Aadhaar-নাম মিলিয়ে যাচাই চলছে।
4.ফান্ড মুক্তি ও জেলা ভিত্তিক প্রক্রিয়া: টাকা শুধু তথ্য যাচাইয়ের পরে দেয় — এবং ফান্ড রিলিজ প্রক্রিয়া জেলা ভিত্তিক।
Read More – Sanchar Saathi App সব মোবাইলে বাধ্যতামূলক হচ্ছে সঞ্চার সাথী অ্যাপ : কী কাজ এই সরকারি অ্যাপের
কবে থেকে ঢুকবে টাকা ও সরকারি আপডেট
গঠনমূলক নোটিশ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জন্য স্কুল-শিক্ষার্থীদের ৩১ আগস্টের মধ্যে তথ্য পোর্টালে আপলোড/ভেরিফিকেশন করার নির্দেশ ছিল।পূর্ব অভিজ্ঞতায়, টাকা সাধারণত সেপ্টেম্বর–অক্টোবর মাসে দেওয়া হতো।তবে ২০২৫-তে দেরির কারণ এবং নতুন নিয়মের কারণে — এখন অনেক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ডিসেম্বরের ২য় বা ৩য় সপ্তাহের মধ্যে অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীর একাউন্টে টাকা জমা হতে পারে।অর্থাৎ, যদি আপনার স্কুল-পত্রভুক্তি, OTP ও self-declaration সব ঠিকঠাক হয়ে যায়, তাহলে সম্ভবত ডিসেম্বারের মধ্যেই টাকা পাবেন।
টাকা না ঢুকলে কি করবেন
1.আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট Aadhaar-linked এবং তথ্য সঠিকভাবে আপলোড হয়েছে কি না।
2.Self-Declaration পোর্টালে OTP ভ্যারিফাই করেছেন কি না।
3.স্কুল বা শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানুন — সব ছাত্রছাত্রীর তথ্য আপডেট হয়েছে কি না।
4.যদি সময়সীমা শেষ হলেও টাকা না পেয়ে থাকেন — আপনার স্কুল-অ্যাডমিন বা জেলা শিক্ষা অফিস-এ বিষয়টি জানতে বলুন।





