---Advertisement---

পঞ্চায়েতে ১১ হাজার পদে PSC-র মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া ডিসেম্বরের মধ্যে শুরু ঘোষণা দিলীপ ঘোষের। জানুন বিজ্ঞপ্তি ও আবেদনের আপডেট।

Sabir

Published

psc panchayat recruitment

Join WhatsApp

Join Now
---Advertisement---

West Bengal Panchayat Recruitment 2026 পঞ্চায়েতে নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় আপডেট সামনে এসেছে। পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরে প্রায় ১১ হাজার কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এবার জেলা স্তরের পরিবর্তে পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা WBPSC-এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা নিয়ে কর্মী বাছাই করা হবে।পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের পর ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, ডিসেম্বরের মধ্যে ১১ হাজার প্রার্থীর চাকরিতে যোগদান নয়—নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার কথা বলা হয়েছে।

একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পঞ্চায়েত দফতরে কর্মীর অভাবের কারণে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। সেই শূন্যপদ পূরণ করতেই প্রায় ১১ হাজার কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এতদিন গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে জেলা স্তরের নির্বাচন কমিটি বা District Level Selection Committee—DLSC গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েতের ২০০৭ সালের কর্মী নিয়োগ বিধিতে জেলা স্তরের নির্বাচন কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারি নথিতেও DLSC-কে নিয়োগ প্রক্রিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ায় জেলা-ভিত্তিক ব্যবস্থার বদলে WBPSC-এর মাধ্যমে রাজ্যজুড়ে একটি কেন্দ্রীয় নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর জন্য বর্তমান পঞ্চায়েত আইন অথবা সংশ্লিষ্ট নিয়োগবিধি সংশোধন করতে হবে বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন।

WBPSC-এর মাধ্যমে পঞ্চায়েতে নিয়োগ হলে সমস্ত জেলার প্রার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন আবেদন ও পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হতে পারে। সম্ভাব্য সুবিধাগুলি হল:

  • একই নিয়মে রাজ্যজুড়ে পরীক্ষা
  • কেন্দ্রীয়ভাবে মেধাতালিকা প্রকাশ
  • আবেদন ও ফলাফল দেখার অভিন্ন পোর্টাল
  • জেলা অনুযায়ী পৃথক নিয়োগ প্রক্রিয়ার জটিলতা কমানো
  • নিয়োগে স্বচ্ছতা ও নজরদারি বাড়ানো

তবে এগুলি সম্ভাব্য সুবিধা। পরীক্ষার কাঠামো, মেধাতালিকা এবং জেলা বরাদ্দ কীভাবে হবে, তা সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেই নিশ্চিত হবে।১১ হাজার শূন্যপদের পদভিত্তিক তালিকা এখনও প্রকাশিত হয়নি। পঞ্চায়েত দফতরে সাধারণত প্রশাসনিক, হিসাবরক্ষণ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কারিগরি কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের পদ থাকে।

দফতরের সরকারি নিয়োগ-তথ্য পাতায় অতীতে বা সাধারণভাবে নিম্নলিখিত পদের উল্লেখ রয়েছে:

  • এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট
  • গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মী
  • ডেটা এন্ট্রি অপারেটর
  • ক্লার্ক ও অ্যাকাউন্টস কর্মী
  • নির্মাণ সহায়ক
  • জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার
  • সহকারী ইঞ্জিনিয়ার
  • গ্রাম রোজগার সহায়ক
  • ব্লক ইনফরমেটিক্স অফিসার
  • পঞ্চায়েত ডেভেলপমেন্ট অফিসার

তবে এই ১১ হাজার নিয়োগে উপরের সব পদ থাকবে—এমন কোনও সরকারি ঘোষণা এখনও হয়নি। পদগুলির নাম, সংখ্যা এবং কাজের ধরন জানতে WBPSC-এর বিস্তারিত বিজ্ঞাপন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

WBPSC Panchayat Recruitment 2026-এর শিক্ষাগত যোগ্যতা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। পদ অনুযায়ী যোগ্যতা আলাদা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উদাহরণ হিসেবে:

  • কিছু সহায়ক বা কর্মী পদের জন্য মাধ্যমিক অথবা উচ্চমাধ্যমিক
  • ক্লার্ক বা এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের জন্য উচ্চমাধ্যমিক অথবা স্নাতক
  • ডেটা এন্ট্রি পদের জন্য কম্পিউটার জ্ঞান ও টাইপিং দক্ষতা
  • ইঞ্জিনিয়ারিং পদের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিপ্লোমা অথবা ডিগ্রি
  • হিসাব সংক্রান্ত পদের জন্য বাণিজ্য বা অ্যাকাউন্টিংয়ের যোগ্যতা

এগুলি পূর্ববর্তী নিয়োগের ধরন থেকে করা সাধারণ ধারণা। সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট যোগ্যতাকে চূড়ান্ত ধরে আবেদন প্রস্তুত করা উচিত নয়।

১১ হাজার পঞ্চায়েত কর্মী নিয়োগের জন্য সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বয়সসীমা এখনও জানানো হয়নি। সাধারণত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিয়োগে পদের শ্রেণি এবং নিয়োগবিধি অনুযায়ী বয়স নির্ধারিত হয়।

সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে নিম্নলিখিত তথ্য দেওয়া হবে:

  • বয়স গণনার নির্দিষ্ট তারিখ
  • সাধারণ প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়স
  • তফসিলি জাতি ও উপজাতির বয়সে ছাড়
  • OBC প্রার্থীদের বয়সে ছাড়
  • প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের বয়সে ছাড়
  • প্রাক্তন সেনাকর্মীদের নিয়ম
  • পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা সংক্রান্ত শর্ত

প্রার্থীদের জন্মতারিখের প্রমাণ হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বা সমমানের সরকারি নথি প্রস্তুত রাখতে হবে।

READ MORE- যারা এখনও পাননি অন্নপূর্ণার ৩০০০ টাকা কবে পাবেন ? সময় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

পঞ্চায়েতে সম্ভাব্য নির্বাচন প্রক্রিয়ায় থাকতে পারে

  1. অনলাইন আবেদন
  2. প্রাথমিক বা লিখিত পরীক্ষা
  3. মূল লিখিত পরীক্ষা অথবা দক্ষতা পরীক্ষা
  4. কম্পিউটার বা টাইপিং টেস্ট—পদ অনুযায়ী
  5. নথি যাচাই
  6. চূড়ান্ত মেধাতালিকা

পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত দফতরের সাধারণ নিয়োগ-তথ্যে লিখিত পরীক্ষা, দক্ষতা পরীক্ষা, ইন্টারভিউ এবং নথি যাচাইয়ের মতো ধাপের উল্লেখ রয়েছে। নতুন PSC নিয়োগে ঠিক কোন ধাপগুলি থাকবে, তা বিজ্ঞপ্তিই নির্ধারণ করবে। থেকে শুরু হবে?</h2>

২১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ১১ হাজার পঞ্চায়েত শূন্যপদের জন্য নির্দিষ্ট অনলাইন আবেদন শুরু হয়নি। কোনও প্রামাণিক আবেদন-লিঙ্ক, শেষ তারিখ অথবা আবেদন ফি ঘোষণা করা হয়নি।

WBPSC-এর সরকারি বিজ্ঞপ্তি এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের নিয়োগ বিভাগ নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতেই আবেদন শুরুর তারিখ, যোগ্যতা, বয়সসীমা, ফি, পরীক্ষার পদ্ধতি ও শূন্যপদের বিভাজন থাকবে।

WBPSC পঞ্চায়েত পরীক্ষার প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন?

সিলেবাস প্রকাশের আগে সাধারণ সরকারি চাকরির পরীক্ষার বিষয়গুলি দিয়ে প্রস্তুতি শুরু করা যেতে পারে।

  • বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ
  • ইংরেজি ভাষার প্রাথমিক জ্ঞান
  • সাধারণ গণিত
  • রিজনিং ও মানসিক দক্ষতা
  • সাধারণ জ্ঞান
  • পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস ও ভূগোল
  • সাম্প্রতিক ঘটনাবলি
  • কম্পিউটারের প্রাথমিক জ্ঞান
  • পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ও গ্রামীণ উন্নয়ন

আগের কোনও পরীক্ষার সিলেবাসকে নতুন নিয়োগের চূড়ান্ত সিলেবাস হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। WBPSC বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে প্রকাশিত অফিসিয়াল সিলেবাস অনুসরণ করাই নিরাপদ।

[tpv_views]

শেয়ার করুন

---Advertisement---